• বঙ্গবন্ধু
  • আমাদের পাতা
  • মতামত
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ
Sunday, August 31, 2025
  • Login
No Result
View All Result
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
  • রাজনীতি
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
  • রাজনীতি
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
No Result
View All Result
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
No Result
View All Result
Home Common

কুড়িগ্রাম শহরে পানির ট্যাংককিতে বিজয় নিশান উড়ান বীরপ্রতীক আব্দুল হাই

Syed Refaquat RAJOWAN by Syed Refaquat RAJOWAN
2016-12-14 17:00:19
in Common, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি
1 min read

কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রাম মোগলবাসায় দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া আব্দুল হাই স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তিনি মুক্তিযোদ্ধা হবেন। জীবন-জীবিকার তাগিতে ঢাকার মহাখালী এলাকায় পাকিস্তান টোবাকো কোম্পানিতে (পিটিসি) শ্রমিকের কাজ করতেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন শোনেন কাছ থেকে। রেসকোর্স ময়দানের মাটি ছুঁয়ে শপথ নেন দেশের জন্য কাজ করবার। এরপর ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে চোখের সামনে দ’ুই সহকর্মী পাকিস্তানীদের গুলিতে নিহত হয় কর্মস্থল এলাকায়। ছোট-খাটো ও পাতলা লিনথিন চেহারা হলেও মনের মধ্যে জমাট বাঁধে ক্ষোভ, ঘৃণা আর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।

RelatedPosts

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলা

তৃতীয় ধাপে ১২ হাজার ১১৬ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

২০ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে

১ এপ্রিল কার্ফু শিথিল করা হয়। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করেন কুড়িগ্রামের পথে। গ্রামীন পথ ধরে ৭দিন পর পৌঁছেন বাহাদুরাবাদ ঘাটে। সঙ্গী হয় রংপুর, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটের আরো ৫ জন। ৩০ টাকায় নৌকা ভাড়া করে পৌছেন কামারজানিতে। এরপর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ হয়ে চিলমারী বন্দরে। এভাবে পায়ে হেঁটে ও নৌকায় এবং কখনও নদী সাঁতরীয়ে নিজ বাড়ীতে পৌছেন ৮ এপ্রিল। পরিবারে সম্মতি এবং যুদ্ধে যাওয়ার সঙ্গি সাথী খুঁজতে চলে যায় আরো ৬দিন। তখন বয়স ১৭ বছর ছুঁই ছুঁই। পিতা রমজান আলী ও মা হাফেজা খাতুন হাসি মুখে সন্তানকে যুদ্ধে যেতে বলেন। ১৫ এপ্রিল ভূরুঙ্গামারীতে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে পৌঁছেন আব্দুর রহিম, মানিক ও কাদের। প্রফেসর হায়দার ছিলেন এখানকার মুল সংগঠক। রাইফেল, এসএললার, এলএমজি চালানো শেখেন। কয়েকটি অপারেশনে অংশ নেন। এ ক্যাম্পের মেজর নওয়াজেশ তাকে ২৮ দিনের প্রশিক্ষণে ভারতে পাঠান। সেখানে গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। নেন ডেমুনেশন ট্রেনিং। জুনের শেষ দিকে আসেন সোনাহাটে। তিনি নিজে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সোনাহাট রেল সেতুটি আধামন ওজনের ২টি চার্জ লাগিয়ে উড়িয়ে দেন। এরপর রায়গঞ্জ, পাটেশ্বরী এলাকায় আরো ৩/৪টি অপারেশনে অংশ নেন। এরপর আরো উচ্চত্বর প্রশিক্ষণে গিদালদহে যান। এরপর ফেরেন লালমনিরহাটে। এখানে একটি রেলের ব্রীজ উড়িয়ে দিতে গিয়ে বাংকারে হামলা করেন তিনি। এতে দুই পাক সেনা মারা যায়। তাদের দুটি অস্ত্র নিয়ে আসেন ফুলবাড়িতে। ১৪ আগস্ট ফুলবাড়ীর গাগলা এলাকায় পাকবাহীনির সাথে বড় ধরণের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এতে পাকাবাহীনির ৩০/৩৫ জন নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধা মারা যায় ২জন।

৬নং সেক্টরে যুদ্ধ করতে গিয়ে মৃত্যুর মূখোমুখ দাঁড়ানোর কথা কোন দিন ভুলতে পারবেন না তিনি। ২১ অথবা ২২ আগস্ট তার নেতৃত্বে নাগেশ্বরীতে পাকবাহীনির ক্যাম্প এলাকা ৩জন সহযোধ্যাসহ র‌্যাকি করতে গিয়ে মর্টার সেলের আঘাতে গুরুত্বর আহত হন। সহযোদ্ধা মুরাদ তাকে সঙ্গাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ভুরুঙ্গামারী পরে ভারতের বাঘডোকরায় সেনাবাহীনির চিকিৎসা ক্যাম্পে ভর্তি করে। ১০ দিন চিকিৎসা নেন এখানে। এখনও বাম হাতের ২টি আঙ্গুল স্বাভাবিক ভাবে বাকা করতে পারেন না। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসায় আবারো নতুন উদ্যোমে যুদ্ধে নামেন। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে আব্দুল হাইকে কোম্পানী কমান্ডারের দায়িত্ব দেয়া হয়। এর আগে তিনি সহকারী সেকশন কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাকে দায়িত্ব দেয়া হয় কুড়িগ্রাম শহর দখল করবার। এর আগে রাজাকার, আলবদর, পিচকমিটি ও পাকবাহীনির অবস্থান সংখ্যা সেক্টর কমান্ডারকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে এক অপারেশন করে তিনি ইসমাইল রাজাকারকে অস্ত্রসহ আটক করে ভারতে নিয়ে যান। এর পর মহুবর, খালেকসহ কয়েকজনকে ভারতে ধরে নিয়ে যান। পরে তারা পক্ষ ত্যাগ করে মুক্তিবাহিনীকে সহযোগীতা করে। ৬০ জন স্থানীয় নাগরিককে গাইডার হিসাবে কাজে নামানো হয়। আর ৩৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিল তার কোম্পানিতে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে দূর্গাপুর সড়ক ব্রীজ ভেঙ্গে চিলমারী-উলিপুর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়ায় পাকবাহীনি চাপে পড়ে। এরপর ২৭ অক্টোবর হালাবট এলাকায় রেল ব্রীজ মাইন বসিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়। এ যুদ্ধে ২৭জন পাকবাহীনি ও একজন মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়। ট্রেন যোগাযোগও বন্ধ হওয়ায় পাকবাহীনির কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসে। রংপুরের দিক খোলা রেখে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে মুক্তিবাহীনি। ১লা নভেম্বর ১৫০ রাজাকার আতœসমর্পণ করে। হালাবট ও মোগলবাসায় ৩ নভেম্বর আতœসমর্পনের কথা বলে পাকবাহীনিসহ দেড় হাজার রাজাকার, আলবদর-আলসামস মুক্তিযোদ্ধাদের উপর মরণ কামড় দেয়। এতে মারা যায় ২জন মুক্তিযোদ্ধা ও ১৭ জন সাধারণ নাগরিক। রাজাকারদের সহযোগীতায় ধরে নিয়ে যায় ডোমাস ও আব্দুল করিম নামে দু’ই মুক্তিযোদ্ধাকে। চিহিৃত রাজাকারদের নামে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা রয়েছে। এরপর কয়েক দফায় ৮৭৮জন রাজাকার অস্ত্রসহ আতœসমর্পন করে আব্দুল হাই এর কাছে। পাকবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে।

অবশেষে ৬ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা অমিত তেজে যুদ্ধ করে পাকিস্তান বাহিনীকে পরাজিত করে অবরুদ্ধ কুড়িগ্রামকে হানাদার মুক্ত করেছিল। বিকেল ৪টায় কুড়িগ্রাম শহরের ওভারহেড পানির ট্যাংকের উপর স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে চারিদিকে বিজয় বার্তা ছড়িয়ে দেন আব্দুল হাই। ২৩০দিন পাকহানাদার বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ থাকার পর অবশেষে মুক্ত হয় কুড়িগ্রাম।

এর আগে বৃহত্তর কুড়িগ্রাম অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিগেডিয়ার জসির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ষষ্ঠ মাউটেন্ড ডিভিশনের সহযোগীতায় পাকবাহিনীর উপর প্রচন্ড আক্রমন চালিয়ে ১৪ নভেম্বর ভুরুঙ্গামারী, ২৮ নভেম্বর নাগেশ্বরী এবং ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত উত্তর ধরলা হানাদার মুক্ত করে। উল্লেখ্য রৌমারী, রাজিবপুর ও ফুলবাড়ী সব সময় মুক্তাঞ্চল ছিল। ১ ডিসেম্বর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা চারিদিক থেকে কুড়িগ্রাম শহর ঘিরে ফেলে পাক বাহিনীর উপর আক্রমন শুরু করে। পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পাকবাহিনী গুলি করতে করতে ট্রেনযোগে কুড়িগ্রাম শহর ত্যাগ করে রংপুরের দিকে পালিয়ে যায়।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক জানা যায়, জেলায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৯৯ জন। আর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩ হাজার ২৩ জন। যুদ্ধকালীন সময়ে এতদঅঞ্চলে কোম্পানী কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল কুদ্দুস (নান্নু), রওশন বারী (রঞ্জু), আব্দুল হাই সরকার, কেএম আকরাম হোসেন, সুবেদার মেজর আরব আলী, সুবেদার বোরহান উদ্দিন, সুবেদার মাজহারুল হক, সুবেদার আব্দুল ওয়াহাব, সুবেদার আলতাফ, বদরুজ্জামান, শওকত আলী ও আবুল কাশেম চাঁদ। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য খেতাব প্রাপ্ত হয়েছেন লেঃ আবু মঈন মোঃ আসফাকুস সামাদ বীর উত্তম (মরনোত্তর), শওকত আলী বীর বিক্রম, সৈয়দ মনছুর আলী (টুংকু) বীর বিক্রম, বদরুজ্জামান বীর প্রতীক, আব্দুল হাই সরকার বীর প্রতীক, আব্দুল আজিজ বীর প্রতীক এবং তারামন বিবি বীর প্রতীক।

Tags: কুড়িগ্রাম শহরে পানির ট্যাংককিতে বিজয় নিশান উড়ান বীরপ্রতীক আব্দুল হাই
Share5Tweet3Share1
Previous Post

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতারা

Next Post

যুদ্ধাপরাধীদের হাতে যারা পতাকা তুলে দিয়েছিল তারাও অপরাধী

Syed Refaquat RAJOWAN

Syed Refaquat RAJOWAN

Editor In Chief Muktijoddha NEWS and Doinikbarta (http://doinikbarta.com)

Discussion about this post

Popular News

  • সহজ শর্তে ‘মুক্তিযোদ্ধা গৃহনির্মাণ ঋণ’ প্রতিবেদন চূড়ান্ত

    সহজ শর্তে ‘মুক্তিযোদ্ধা গৃহনির্মাণ ঋণ’ প্রতিবেদন চূড়ান্ত

    9155 shares
    Share 5440 Tweet 1548
  • অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি জামুকার সহকারী উপপরিচালক বরখাস্ত

    6906 shares
    Share 3580 Tweet 1386
  • মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে

    4859 shares
    Share 1944 Tweet 1215
  • লাল মুক্তিবার্তায় নাম থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই লাগবে না

    4005 shares
    Share 1602 Tweet 1001
  • বিনা সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা করে ঋণ পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা।

    4341 shares
    Share 2324 Tweet 841
  • বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের নতুন আদেশ

    2613 shares
    Share 1045 Tweet 653
  • মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নতুন করে নাম এলো যাদের

    2701 shares
    Share 1145 Tweet 649
  • ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রকাশ

    2494 shares
    Share 998 Tweet 624
  • মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ

    2260 shares
    Share 904 Tweet 565
  • অনলাইনে মিলবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ৩৮ সেবা

    3235 shares
    Share 2013 Tweet 509

Recommended

এবার ঈদে ৫২ হাজার টাকা উৎসব ভাতা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা

8 years ago

নূরই বঙ্গবন্ধুকে গুলি করেছে

9 years ago
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

5 years ago

কাশিমপুর কারাগার থেকে মীর কাসেম আলীকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে

9 years ago

মুক্তিযোদ্ধা

Category

  • Common
  • অপরাধ
  • ছবি গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • মতামত
  • মুক্তিযুদ্ধ
  • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
  • মুক্তিযোদ্ধা
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
  • মুক্তিযোদ্ধা নিপীড়ন
  • যুদ্ধাপরাধ
  • রাজনীতি
  • সশস্ত্র বাহিনী
  • সাহিত্য পাতা
  • স্বাস্থ্য ও চিকিত্‍সা

Site Links

  • Log in
  • Entries feed
  • Comments feed
  • WordPress.org

About Us

দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের প্রজন্মের সকল খবরাখবর নিয়ে আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। সাথে থাকুন, অংশগ্রহণ করুন, চলুন একসাথে এগিয়ে যাই।।

  • বঙ্গবন্ধু
  • আমাদের পাতা
  • মতামত
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ

© 2020 মুক্তিযোদ্ধা নিউজ - বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। by i-Bangla Limited.

No Result
View All Result
  • রাজনীতি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান

© 2020 মুক্তিযোদ্ধা নিউজ - বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। by i-Bangla Limited.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In