• বঙ্গবন্ধু
  • আমাদের পাতা
  • মতামত
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ
Monday, September 1, 2025
  • Login
No Result
View All Result
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
  • রাজনীতি
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
  • রাজনীতি
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
No Result
View All Result
মুক্তিযোদ্ধা নিউজ
No Result
View All Result
Home Common

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় প্রিভাষিণীকে শেষ বিদায়

Syed Refaquat RAJOWAN by Syed Refaquat RAJOWAN
2018-03-08 18:50:35
in Common, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি
1 min read

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধার ফুল আর জাতীয় পতাকা মোড়ানো কফিনে বিদায় নিলেন মুক্তিযোদ্ধা-ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার কিছুক্ষণ আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রিয়ভাষিণীর মরদেহবাহী কফিন নিয়ে আসেন তার মেয়ে রতেœশ্বরী প্রিয়দর্শিনী, ফুলেশ্বরী প্রিয়নন্দিনী, ছেলে কারু তিতাস ও কাজী শাকের তূর্য। কারও কাছে তিনি হার না মানা যোদ্ধার প্রতীক, কারও কাছে ছিলেন মায়ের মতই আপন; একাত্তরের সেই মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী শেষ বিদায় নিলেন জাতীয় পতাকায় মোড়া কফিনে শুয়ে, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়।বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সবার শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে একাত্তরের এই যোদ্ধা মা শায়িত হয়েছেন মিরপুরের বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পাশে। কিডনি ও হৃদরোগের জটিলতা নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার মৃত্যু হয় প্রিয়ভাষিণীর। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত এই মুক্তিযোদ্ধার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

RelatedPosts

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলা

তৃতীয় ধাপে ১২ হাজার ১১৬ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ

২০ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে

প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ মঙ্গল ও বুধবার রাখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের হিমঘরে। তার ছোট ছেলে কাজী মহম্মদ শাকের তূর্য অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরলে বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয় শেষযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা। বেলা ১১টায় এই সংগ্রামী নারীর কফিন নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসেন তার মেয়ে রতেœশ্বরী প্রিয়দর্শিনী, ফুলেশ্বরী প্রিয়নন্দিনী, ছেলে কারু তিতাস ও কাজী শাকের তূর্য।

শুরুতেই ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে এই মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শুরু হয় শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন পর্ব। বন্ধু, স্বজন, সহযোদ্ধা আর ভক্তদের শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ভরে ওঠে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর কফিন।শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নারী আন্দোলনের সকল পর্যায়ে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার এ কণ্ঠস্বর কখনো পিছপা হয়নি।তিনি বলেন,ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী একাত্তরের বীরাঙ্গনাদের স্বীকৃতির জন্য যে লড়াই করে গেছেন, সরকার তা এগিয়ে নিয়ে যাবে।আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্যাতিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার যে ত্যাগ, তা নতুন প্রজন্মের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তার ভাস্কর্য শিল্পচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, শিল্প পেয়েছে এক নতুন মাত্রা।

প্রিয়ভাষিণী জীবনভর যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা ধারণ করে গেছেন, দেশের নতুন প্রজন্মও সেই ধারায় শামিল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কাদের।তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, সাহস থাকলে যে সব বাধা অতিক্রম করা যায়, তার উদাহরণ ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। তার উপর বারবার আঘাত এসেছে, কিন্তু তিনি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তিনি জীবনভর লড়াই করে গেছেন।১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্র“য়ারি খুলনায় ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর জন্ম। তার নানা অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের সরকারের সময় স্পিকার হয়েছিলেন।

মাত্র ষোল বছর বয়সে প্রিয়ভাষিণীর প্রথম বিয়ে হয়। আট বছরের মাথায় সেই সংসারে বিচ্ছেদ ঘটে, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় তরুণ প্রিয়ভাষিণীর অন্য এক লড়াই।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হতে হয় এই বীর নারীকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাব দেয়। তার আগে ২০১০ সালে তিনি পান স্বাধীনতা পুরস্কার।যুদ্ধদিনের সেই ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ২০১৫ সালে তিনি বলেছিলেন, ১৯৭১ সালে আমি খুলনা ছিলাম। অক্টোবরের শেষের দিকে আমাকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়ৃ৩২ ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। এমন কোনো নির্যাতন নেই, যা তারা করেনি। আমার জীবনে সে এক দুঃসহ স্মৃতি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে সরকারি কর্মকর্তা আহসান উল্লাহর সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। ১৯৭৭ সাল থেকে দুই দশকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করেছেন।এক সময় তিনি মন দেন শিল্পের সাধনায়। ঝরা পাতা, শুকনো ডাল, গাছের গুঁড়ি দিয়ে তার তৈরি গৃহসজ্জার উপকরণ ও শিল্পকর্ম তাকে ধীরে ধীরে করে তোলে ভাস্কর।
প্রিয়ভাষিণীর প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয় যশোরে শিল্পকলা একাডেমিতে। চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান সেই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছিলেন।ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে এমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, “তিনি একইসাথে সাহস ও সম্ভ্রমের প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার অবদান অনুকরণীয়। সংস্কৃতি চর্চায় তার ভাস্কর্য এক নতুন সংযোজন। নতুন প্রজন্ম তার সম্পর্কে ভালোভাবে জানলে দেশকে আরো ভালোভাবে জানতে পারবে।যুদ্ধাপরাধীদের বিপক্ষে আজীবন প্রিয়ভাষিণীর সোচ্চার অবস্থানের কথা শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে স্মরণ করেন রামেন্দু মজুমদার।কামাল লোহানী বলেন, “তিনি ছিলেন সাহসী নারীর প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতনের কথা লুকিয়ে না রেখে লোকসমাজে তা প্রকাশ করেছেন। নির্যাতিত নারীর পক্ষে দাঁড়িয়ে তিনি অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার অনন্য অবদানের কথা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ছাড়াও বাংলাদেশ নারী পরিষদ, জাতীয় কবিতা পরিষদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, আইন ও সালিস কেন্দ্র, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়,একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষেও শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রিয়ভাষিণীর কফিনে।তার পরিবারের পক্ষে মেয়ে ফুলেশ্বরী প্রিয়নন্দিনী বলেন, মা গত চার মাস ঘর থেকে বের হতে পারেননি। তিনি ফাল্গুন দেখেননি, আজ আপনারা এত ফুলে মাকে ফাল্গুন উপহার দিলেন।

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের কবরের পাশে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর দাফনের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে তার মেয়ে বলেন, মা তার শেষ ঠিকানা পেয়েছেন, মা ঘুমাবেন জাহানারা ইমামের পাশে। আমরা গর্বিত।কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রিয়ভাষিণীর কফিন নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে। সেখানে তার জানাজায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান, সিনেট সদস্য কবি মো. সামাদ, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ইনডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আরাফাত, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারসহ অনেকে।সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকালে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হন একাত্তরের এই যোদ্ধা মা। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আগামী ১৩ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর স্মরণে নাগরিক শোকসভার আয়োজন করবে।

Tags: শ্রদ্ধা ভালোবাসায় প্রিভাষিণীকে শেষ বিদায়
Share7Tweet5Share1
Previous Post

সরকারি ফ্ল্যাট পাবেন অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা

Next Post

হাতীবান্ধার পতাকা দিবস ৯ই মার্চ, মুক্তিযুদ্ধে নজরুল ইসলামের ইতিহাস জানেনা নতুন প্রজন্ম

Syed Refaquat RAJOWAN

Syed Refaquat RAJOWAN

Editor In Chief Muktijoddha NEWS and Doinikbarta (http://doinikbarta.com)

Popular News

  • সহজ শর্তে ‘মুক্তিযোদ্ধা গৃহনির্মাণ ঋণ’ প্রতিবেদন চূড়ান্ত

    সহজ শর্তে ‘মুক্তিযোদ্ধা গৃহনির্মাণ ঋণ’ প্রতিবেদন চূড়ান্ত

    9155 shares
    Share 5440 Tweet 1548
  • অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি জামুকার সহকারী উপপরিচালক বরখাস্ত

    6906 shares
    Share 3580 Tweet 1386
  • মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে

    4859 shares
    Share 1944 Tweet 1215
  • লাল মুক্তিবার্তায় নাম থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই লাগবে না

    4005 shares
    Share 1602 Tweet 1001
  • বিনা সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা করে ঋণ পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা।

    4341 shares
    Share 2324 Tweet 841
  • বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের নতুন আদেশ

    2613 shares
    Share 1045 Tweet 653
  • মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নতুন করে নাম এলো যাদের

    2701 shares
    Share 1145 Tweet 649
  • ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রকাশ

    2494 shares
    Share 998 Tweet 624
  • মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ

    2260 shares
    Share 904 Tweet 565
  • অনলাইনে মিলবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ৩৮ সেবা

    3235 shares
    Share 2013 Tweet 509

Recommended

মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানি ৯ ফেব্র“য়ারি

10 years ago
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের মানববন্ধনে হামলা, এমপি মোস্তাফিজের এপিএসসহ আটক ৪

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের মানববন্ধনে হামলা, এমপি মোস্তাফিজের এপিএসসহ আটক ৪

5 years ago

“খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ” (KMSS) ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন।

6 years ago

আজ পাকুড়িয়া গণহত্যা দিবস

7 years ago

মুক্তিযোদ্ধা

Category

  • Common
  • অপরাধ
  • ছবি গ্যালারি
  • প্রজ্ঞাপন
  • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • মতামত
  • মুক্তিযুদ্ধ
  • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
  • মুক্তিযোদ্ধা
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান
  • মুক্তিযোদ্ধা নিপীড়ন
  • যুদ্ধাপরাধ
  • রাজনীতি
  • সশস্ত্র বাহিনী
  • সাহিত্য পাতা
  • স্বাস্থ্য ও চিকিত্‍সা

Site Links

  • Log in
  • Entries feed
  • Comments feed
  • WordPress.org

About Us

দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের প্রজন্মের সকল খবরাখবর নিয়ে আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। সাথে থাকুন, অংশগ্রহণ করুন, চলুন একসাথে এগিয়ে যাই।।

  • বঙ্গবন্ধু
  • আমাদের পাতা
  • মতামত
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ

© 2020 মুক্তিযোদ্ধা নিউজ - বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। by i-Bangla Limited.

No Result
View All Result
  • রাজনীতি
  • প্রজ্ঞাপন
  • মুক্তিযোদ্ধা
    • বীর মুক্তিযোদ্ধা
    • প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা
  • সাহিত্য পাতা
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মুক্তিযুদ্ধের গল্প
    • ছবি গ্যালারি
    • ভিডিও গ্যালারি
  • মুক্তিযোদ্ধা অনুসন্ধান

© 2020 মুক্তিযোদ্ধা নিউজ - বাংলাদেশের সর্ব প্রথম এবং একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম। by i-Bangla Limited.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In